Powered by Blogger.
CATEGORY >
Best Top Ten Valentines Message 💞💓💖 | Bangla Love Message | Love Bit
=========== 🔔 Follow Me On 🔔 ============= 👉 Youtube: ➜ youtube/loveBit 👉 Website: ➜ http://love-bit.blogspot.com 👉 Facebook Page:➜ https://www.facebook.com/Lovebit.BE 👉 Facebook Group:➜ https://www.facebook.com/groups/Loveb... 👉 Instagram: ➜https://www.instagram.com/lovebit.be 👉 Linkedin: ➜https://www.linkedin.com/in/Lovebit-BE 👉 Twitter:➜ https://www.twitter.com/Lovebit_BE 👉 Google+:➜ https://plus.google.com/u/0/115891410... Thanks!!!
Bekar Cheler Golpo (বেকার ছেলের গল্প )💔 | Bekar Cheler Prem 💔| Sad Love Story 💔 | Love Bit
=========== 🔔 Follow Me On 🔔 ============= 👉 Website: ➜ http://love-bit.blogspot.com 👉 Facebook Page: https://www.facebook.com/Lovebit.BE 👉 Facebook Group: https://www.facebook.com/groups/Loveb... 👉 Instagram: https://www.instagram.com/lovebit.be 👉 Linkedin: https://www.linkedin.com/in/Lovebit-BE 👉 Twitter: https://www.twitter.com/Lovebit_BE 👉 Google+: https://plus.google.com/u/0/115891410... Thanks!!!
Rikshawalar Prem #3 (Odhikar) - Bangla Sad Love Story || Love Bit HD
=========== 🔔 Follow Me On 🔔 =============
👉 Website: ➜ http://love-bit.blogspot.com
👉 Facebook Page: ➜ https://www.facebook.com/Lovebit.BE
👉 Facebook Group:➜ https://www.facebook.com/groups/Loveb...
👉 Instagram: ➜ https://www.instagram.com/lovebit.be
👉 Linkedin:➜ https://www.linkedin.com/in/Lovebit-BE
👉 Twitter:➜ https://www.twitter.com/Lovebit_BE
👉 Google+:➜ https://plus.google.com/u/0/115891410...
Thanks!!!
Rikshawalar Prem #2 (Odhikar) - Bangla Sad Love Story || Love Bit
=========== 🔔 Follow Me On 🔔 =============
👉 Website: ➜ http://love-bit.blogspot.com
👉 Facebook Page: ➜ https://www.facebook.com/Lovebit.BE
👉 Facebook Group:➜ https://www.facebook.com/groups/Lovebit.BE
👉 Instagram: ➜ https://www.instagram.com/lovebit.be
👉 Linkedin:➜ https://www.linkedin.com/in/Lovebitpro
👉 Twitter:➜ https://www.twitter.com/Lovebit_BE
👉 Google+:➜ https://plus.google.com/u/0/115891410513092460720 Thanks!!!
কিন্তু ব্যাপারটা হচ্ছে, তুমি আমার সামনে দাড়ালেই আমি
তোমার ভিতরে একটা বুনো ঝোপ দেখতে পাই।
ওই ঝোপে একটা মৃতদেহ ঢাকা দেওয়া আছে।
অনেকদিন ধ’রে আছে। কিন্তু আশ্চর্য যে
এই মৃতদেহ জল, বাতাস, রৌদ্র ও সকলপ্রকার
কীট-বীজাণুকে প্রতিরোধ করতে পারে। এরপচন নেই।
বন্য প্রাণীরাও এর কাছে ঘেঁষে না।
রাতে আলো বেরোয় এর গা থেকে।
আমি জানি, মৃতদেহটা আমার।
কিন্তু ব্যাপারটা হচ্ছে, এই জারিজুরি এবার ফাঁস হওয়া প্রয়োজন।
আর তা হবেও, যেদিন চার পায়ে গুঁড়ি মেরেগিয়ে
পা কামড়ে ধ’রে, ওটাকে, ঝোপ থেকে
টেনে বার করব আমি।
তোমাকে পেতেই হবে শতকরা অন্তত নব্বই (বা নব্বইয়ের বেশি)
তোমাকে হতেই হবে একদম প্রথম
তার বদলে মাত্র পঁচাশি!
পাঁচটা নম্বর কম কেন? কেন কম?
এই জন্য আমি রোজ মুখে রক্ত তুলে খেটে আসি?
এই জন্যে তোমার মা কাক ভোরে উঠে সব কাজকর্ম সেরে
ছোটবেলা থেকে যেতো তোমাকে ইস্কুলে পৌঁছে দিতে?
এই জন্য কাঠফাটা রোদ্দুরে কি প্যাচপ্যাচে বর্ষায়
সারাদিন বসে থাকতো বাড়ির রোয়াকে কিংবা পার্কের বেঞ্চিতে?
তারপর ছুটি হতে, ভিড় বাঁচাতে মিনিবাস ছেড়ে
অটো-অলাদের ঐ খারাপ মেজাজ সহ্য করে
বাড়ি এসে, না হাঁপিয়ে, আবার তোমার পড়া নিয়ে
বসে পড়তো, যতক্ষণ না আমি বাড়ি ফিরে
তোমার হোমটাস্ক দেখছি, তারপরে আঁচলে মুখ মুছে
ঢুলতো গিয়ে ভ্যাপসা রান্নাঘরে?
এই জন্যে? এই জন্যে হাড়ভাঙা ওভারটাইম করে
তোমার জন্য আন্টি রাখতাম?
মোটা মাইনে, ভদ্রতার চা-জলখাবার
হপ্তায় তিনদিন, তাতে কত খরচা হয় রে রাস্কেল?
বুদ্ধি আছে সে হিসেব করবার?
শুধু ছোটকালে নয়, এখনো যে টিউটোরিয়ালে
পাঠিয়েছি, জানিস না, কিরকম খরচাপাতি তার?
ওখানে একবার ঢুকলে সবাই প্রথম হয়। প্রথম, প্রথম!
কারো অধিকার নেই দ্বিতীয় হওয়ার।
রোজ যে যাস, দেখিস না কত সব বড় বড়
বাড়ি ও পাড়ায়
কত সব গাড়ি আসে, কত বড় আড়ি করে
বাবা মা-রা ছেলেমেয়েদের নিতে যায়?
আর ঐ গাড়ির পাশে, পাশে না পিছনে-
ঐ অন্ধকারটায়
রোজ দাঁড়াতে দেখিস না নিজের বাবাকে?
হাতে অফিসের ব্যাগ, গোপন টিফিন বাক্স, ঘেমো জামা, ভাঙা মুখ –
দেখতে পাসনা? মন কোথায় থাকে?
ঐ মেয়েগুলোর দিকে? যারা তোর সঙ্গে পড়তে আসে?
ওরা তোকে পাত্তা দেবে? ভুলেও ভাবিস না!
ওরা কত বড়লোক!
তোকে পাত্তা পেতে হলে থাকতে হবে বিদেশে, ফরেনে
এন আর আই হতে হবে! এন আর আই, এন আর আই!
তবেই ম্যাজিক দেখবি
কবিসাহিত্যিক থেকে মন্ত্রী অব্দি একডাকে চেনে
আমাদেরও নিয়ে যাবি, তোর মাকে, আমাকে
মাঝে মাঝে রাখবি নিজের কাছে এনে
তার জন্য প্রথম হওয়া দরকার প্রথমে
তাহলেই ছবি ছাপবে খবর কাগজ
আরো দরজা খুলে যাবে, আরো পাঁচ আরো পাঁচ
আরো আরো পাঁচ
পাঁচ পাঁচ করেই বাড়বে, অন্য দিকে মন দিস না,
বাঁচবি তো বাঁচার মত বাঁচ!
না বাপী না, না না বাপী, আমি মন দিই না কোনোদিকে
না বাপী না, না না আমি তাকাই না মেয়েদের দিকে
ওরা তো পাশেই বসে, কেমন সুগন্ধ আসে, কথা বলে, না না বাপী পড়ার কথাই
দেখি না, উত্তর দিই, নোট দিই নোট নিই
যেতে আসতে পথে ঘাটে
কত ছেলে মেয়ে গল্প করে
না বাপী না, আমি মেয়েদের সঙ্গে মিশতে যাই না কখোনো
যেতে আসতে দেখতে পাই কাদা মেখে কত ছেলে বল খেলছে মাঠে
কত সব দুষ্টু ছেলে পার্কে প্রজাপতি ধরছে
চাকা বা ডাঙ্গুলি খেলছে কত ছোটোলোক
না, আমি খেলতে যাই না কখোনো
খেলতে যাইনি। না আমার বন্ধু নেই
না বাপী না, একজন আছে, অপু, একক্লাসে পড়ে
ও বলে যে ওর বাবাও বলেছে প্রথম হতে
বলেছে, কাগজে ছবি, ওর বাবা, ওকে ….
হ্যাঁ বাপী হ্যাঁ, না না বাপী, অপু বলেছে পড়াশোনা হয়নি একদম
বলেছে ও ব্যাক পাবে, ব্যাক পেলে ও বলেছে, বাড়িতে কোথায়
বাথরুম সাফ করার অ্যাসিড আছে ও জানে,
হ্যাঁ বাপী হ্যাঁ, ও বলেছে,
উঠে যাবে কাগজের প্রথম পাতায় …..
প্রেম দেখো বয়স মানেনা কোনদিন
ছোটবড় তালার মতো সব বয়সের কপাটে ঝুলে পড়ে হঠাৎ
প্রেম, সবুজ নিসর্গ থেকে পলাতক কয়েদীর মতোন নিঃশব্দে বেরিয়ে
আসে দ্রুত
ঠাঁই নেয় বিভিন্ন লোকালয়ে; খেলা করে সকাল বিকাল
তোলপাড়ে ভেঙে যায় নীলিমার আজীবন আশীর্বাদ-গড়ে তোলে
সুখ-দুঃখ
পড়ে থাকে বয়স্কদের দারুণ চোখ
প্রেম, সেতো বয়স মানে নি কোনদিন- বুঝি তাই
তীক্ষ্ণ চকচকে সোনার ছুরি এনে বসিয়ে দেয় সকল প্রহরে
মেতে ওঠে ভয়াবহ বন্যার জলের মতো বাদশাহী হৃদয়ে-এবং
ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় পারিবারিক স্নেহ-মমতা
অথচ শুধু বেঁচে থাকে পরস্পর হৃদয়ের সুন্দর দৃশ্যাবলী !
।২।
প্রেম, একটা ক্ষুধার্ত হিংস্র বাঘ; নিমেষে গ্রাস করে দীর্ঘকায় শরীরপ্রচণ্ড থাবায় কখনো আবার ছিড়ে নেয় লালিত মাংস-ছিটিয়ে দেয়
বিষাক্ত লবণ
জ্বলতে থাকে আজীবন !
প্রেম; যেনো গোলাপ-নীলিমা-নিসর্গ-নক্ষত্রে মোড়া আদুরে পুতুল-
নির্জনে থাকেনা পড়ে; অথচ একবার উপযুক্ত হৃদয়ে ঠাঁই পেলে কেউই
রুখতে পারেনা সহজে এবং
সৃষ্টি করে বিশাল বাগান
যা কখনো ফেলে রেখে কোথাও যাওয়া যায় না; শুধু ঈশ্বরের মতো
ক্ষমতা সম্পন্ন হয়ে যায় মুহূর্তে !
প্রিয় রুদ্র,
প্রযত্নেঃ আকাশ,
তুমি আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখতে বলেছিলে। তুমি কি এখন আকাশ জুরে থাকো? তুমি আকাশে উড়ে বেড়াও? তুলোর মতো, পাখির মতো? তুমি এই জগত্সংসার ছেড়ে আকাশে চলে গেছো। তুমি আসলে বেঁচেই গেছো রুদ্র। আচ্ছা, তোমার কি পাখি হয়ে উড়ে ফিরে আসতে ইচ্ছে করে না? তোমার সেই ইন্দিরা রোডের বাড়িতে, আবার সেই নীলক্ষেত, শাহবাগ, পরীবাগ, লালবাগ চষে বেড়াতে? ইচ্ছে তোমার হয় না এ আমি বিশ্বাস করি না, ইচ্ছে ঠিকই হয়, পারো না। অথচ এক সময় যা ইচ্ছে হতো তোমার তাই করতে। ইচ্ছে যদি হতো সারারাত না ঘুমিয়ে গল্প করতে – করতে। ইচ্ছে যদি হতো সারাদিন পথে পথে হাটতে – হাটতে। কে তোমাকে বাধা দিতো? জীবন তোমার হাতের মুঠোয় ছিলো। এই জীবন নিয়ে যেমন ইচ্ছে খেলেছো। আমার ভেবে অবাক লাগে, জীবন এখন তোমার হাতের মুঠোয় নেই। ওরা তোমাকে ট্রাকে উঠিয়ে মিঠেখালি রেখে এলো, তুমি প্রতিবাদ করতে পারোনি।
আচ্ছা, তোমার লালবাগের সেই প্রেমিকাটির খবর কি, দীর্ঘ বছর প্রেম করেছিলে তোমার যে নেলী খালার সাথে? তার উদ্দেশ্যে তোমার দিস্তা দিস্তা প্রেমের কবিতা দেখে আমি কি ভীষণ কেঁদেছিলাম একদিন ! তুমি আর কারো সঙ্গে প্রেম করছো, এ আমার সইতো না। কি অবুঝ বালিকা ছিলাম ! তাই কি? যেন আমাকেই তোমার ভালোবাসতে হবে। যেন আমরা দু’জন জন্মেছি দু’জনের জন্য। যেদিন ট্রাকে করে তোমাকে নিয়ে গেলো বাড়ি থেকে, আমার খুব দম বন্ধ লাগছিলো। ঢাকা শহরটিকে এতো ফাঁকা আর কখনো লাগেনি। বুকের মধ্যে আমার এতো হাহাকারও আর কখনো জমেনি। আমি ঢাকা ছেড়ে সেদিন চলে গিয়েছিলাম ময়মনসিংহে। আমার ঘরে তোমার বাক্সভর্তি চিঠিগুলো হাতে নিয়ে জন্মের কান্না কেঁদেছিলাম। আমাদের বিচ্ছেদ ছিলো চার বছরের। এতো বছর পরও তুমি কী গভীর করে বুকের মধ্যে রয়ে গিয়েছিলে ! সেদিন আমি টের পেয়েছি।
আমার বড়ো হাসি পায় দেখে, এখন তোমার শ’য়ে শ’য়ে বন্ধু বেরোচ্ছে। তারা তখন কোথায় ছিলো? যখন পয়সার অভাবে তুমি একটি সিঙ্গারা খেয়ে দুপুর কাটিয়েছো। আমি না হয় তোমার বন্ধু নই, তোমাকে ছেড়ে চলে এসেছিলাম বলে। এই যে এখন তোমার নামে মেলা হয়, তোমার চেনা এক আমিই বোধ হয় অনুপস্থিত থাকি মেলায়। যারা এখন রুদ্র রুদ্র বলে মাতম করে বুঝিনা তারা তখন কোথায় ছিলো?
শেষদিকে তুমি শিমুল নামের এক মেয়েকে ভালোবাসতে। বিয়ের কথাও হচ্ছিলো। আমাকে শিমুলের সব গল্প একদিন করলে। শুনে … তুমি বোঝোনি আমার খুব কষ্ট হচ্ছিলো। এই ভেবে যে, তুমি কি অনায়াসে প্রেম করছো ! তার গল্প শোনাচ্ছো ! ঠিক এইরকম অনুভব একসময় আমার জন্য ছিলো তোমার ! আজ আরেকজনের জন্য তোমার অস্থিরতা। নির্ঘুম রাত কাটাবার গল্প শুনে আমার কান্না পায় না বলো? তুমি শিমুলকে নিয়ে কি কি কবিতা লিখলে তা দিব্যি বলে গেলে ! আমাকে আবার জিজ্ঞেসও করলে, কেমন হয়েছে। আমি বললাম, খুব ভালো। শিমুল মেয়েটিকে আমি কোনোদিন দেখিনি, তুমি তাকে ভালোবাসো, যখন নিজেই বললে, তখন আমার কষ্টটাকে বুঝতে দেইনি। তোমাকে ছেড়ে চলে গেছি ঠিকই কিন্তু আর কাউকে ভালোবাসতে পারিনি। ভালোবাসা যে যাকে তাকে বিলোবার জিনিস নয়।
আকাশের সঙ্গে কতো কথা হয় রোজ ! কষ্টের কথা, সুখের কথা। একদিন আকাশভরা জোত্স্নায় গা ভেসে যাচ্ছিলো আমাদের। তুমি দু চারটি কষ্টের কথা বলে নিজের লেখা একটি গান শুনিয়েছিলে। “ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি দিও”। মংলায় বসে গানটি লিখেছিলে। মনে মনে তুমি কার চিঠি চেয়েছিলে? আমার? নেলী খালার? শিমুলের? অনেক দিন ইচ্ছে তোমাকে একটা চিঠি লিখি। একটা সময় ছিলো তোমাকে প্রতিদিন চিঠি লিখতাম। তুমিও লিখতে প্রতিদিন। সেবার আরমানিটোলার বাড়িতে বসে দিলে আকাশের ঠিকানা। তুমি পাবে তো এই চিঠি? জীবন এবং জগতের তৃষ্ণা তো মানুষের কখনো মেটে না, তবু মানুষ আর বাঁচে ক’দিন বলো? দিন তো ফুরোয়। আমার কি দিন ফুরোচ্ছে না? তুমি ভালো থেকো। আমি ভালো নেই।
ইতি,
সকাল
পুনশ্চঃ আমাকে সকাল বলে ডাকতে তুমি। কতোকাল ঐ ডাক শুনি না। তুমি কি আকাশ থেকে সকাল, আমার সকাল বলে মাঝে মধ্যে ডাকো? নাকি আমি ভুল শুনি?
জন্মই আমার আজন্ম পাপ, মাতৃজরায়ু থেকে নেমেই জেনেছি আমি
সন্ত্রাসের ঝাঁঝালো দিনে বিবর্ণ পত্রের মত হঠাৎ ফুৎকারে উড়ে যাই
পালাই পালাই সুদূরে
চৌদিকে রৌদ্রের ঝলক
বাসের দোতলায় ফুটপাতে রুটির দোকানে দ্রুতগামী
নতুন মডেলের
চকচকে বনেটে রাত্রির জমকালো আলো
ভাংগাচোরা চেহারার হদিস
ক্লান্ত নিঃশব্দে আমি হেঁটে যাই
পিছনে ঝাঁকড়া চুলওয়ালা যুবক। অষ্টাদশ বর্ষীয়ার নিপুণ ভঙ্গী
দম্পতির অলৌকিক হাসি প্রগাঢ় চুম্বন
আমি দেখে যাই, হেঁটে যাই, কোথাও সামান্য বাতাসে উড়ে যাওয়া চাল-
অর্থাৎ আমার নিবাস।
ঘরের স্যাঁতসেতে মেঝেয় চাঁদের আলো এসে খেলা করে
আমি তখন সঙ্গমে ব্যর্থ, স্ত্রীর দুঃখ অভিমান কান্না
সন্তান সন্তুতি পঙ্গু
পেটে জ্বালা, পাজরায় তেল মালিশের বাসন উধাও-
আমি কোথা যাই? পান্তায় নুনের অভাব।
নিঃসংগতাও দেখেছি আমি, উৎকন্ঠার দিনমান জ্বলজ্বলে বাল্বের মতোন
আমার চোখের মতো স্বজনের চোখ-
যেন আমুন্ড গ্রাস করবে এই আমাকেই
আমিই সমস্ত আহার নষ্ট করেছি নিমেষে।
শত্রুর দেখা নেই, অথচ আমারি শত্রু আমি-
জ্বলন্ত যৌবনে ছুটি ফ্যামিলি প্ল্যানিং কোথায়
কোথায় ডাক্তার কম্পাউন্ডার
যারা আমাকে অপারেশন করবে?
পুরুষত্ব বিলিয়ে ভাবি, কুড়ি টাকায় একসের চাল ও অন্যান্য
সামান্য দ্রব্যাদী মিলবে তো?
আমার চৌদিকে উৎসুক নয়ন আহ্লাদী হাসি
ঘৃণা আমি পাপী
এরা কেন জন্ম নেয়?
এরাই তো আমাদের সুখের বাধা অভিশাপ।
মরণ এসে নিয়ে যাক, নিয়ে যাক
লোকালয়ের কিসের ঠাঁই এই শত্রুর?
-বলে
প্রাসাদ প্রেমিকেরা
আমিও ভাবি তাই, ভাবি নতুন মডেলের চাকায় পিষ্ট হবো
আমার জন্যই তোমাদের এত দুঃখ
আহা দুঃখ
দুঃখরে!
আমিই পাপী, বুঝি তাই এ জন্মই আমার আজন্ম পাপ।
আসাদ চৌধুরী বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক। তিনি মনোগ্রাহী টেলিভিশন উপস্থাপনা ও আবৃত্তির জন্য জনপ্রিয়। তাঁর জন্ম হয় ১১ই ফেব্রুয়ারি ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার উলানিয়া নামক স্থানে। তাঁর পিতার নাম মোহাম্মদ আরিফ চৌধুরী এবং মাতার নাম সৈয়দা মাহমুদা বেগম। আসাদ চৌধুরীর স্ত্রীর নাম সাহানা বেগম। তিনি উলানিয়া হাই স্কুল থেকে ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দে প্রবেশিকা পরীক্সায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে তিনি উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন বরিশালের ব্রজমোহন কলেজ থেকে। পরবর্তীকালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যারয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অধ্যয়ন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর বাংলা বিভাগ থেকে বাংলা ১৯৬৩ সালে স্নাতক (সম্মান) ও ১৯৬৪ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ চুকে যাওয়ার পর কলেজে অধ্যাপনার মধ্য দিয়ে আসাদ চৌধুরীর চাকুরিজীবন শুরু। ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজে তিনি ১৯৬৪ থেকে ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দ অবধি শিক্ষকতা করেন। পরবর্তীকালে ঢাকায় স্থিত হবার পর তিনি বিভিন্ন খবরের কাগজে সাংবদিকতা করেছেন। ১৯৮৫ থেকে ১৯৮৮ পর্যন্ত তিনি ভয়েজ অব জার্মানীর বাংলাদেশ সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন। ঢাকায় বাংলা একাডেমীতে দীর্ঘকাল চাকুরীর পর তিনি এর পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।
তাঁর বিখ্যাত কিছু কাব্যগ্রন্থ হল –
তবক দেওয়া পান (১৯৭৫); বিত্ত নাই বেসাত নাই (১৯৭৬); প্রশ্ন নেই উত্তরে পাহাড় (১৯৭৬); জলের মধ্যে লেখাজোখা (১৯৮২); যে পারে পারুক (১৯৮৩); মধ্য মাঠ থেকে (১৯৮৪); মেঘের জুলুম পাখির জুলুম (১৯৮৫); আমার কবিতা (১৯৮৫); ভালোবাসার কবিতা (১৯৮৫); প্রেমের কবিতা (১৯৮৫); দুঃখীরা গল্প করে (১৯৮৭); নদীও বিবস্ত্র হয় (১৯৯২); টান ভালোবাসার কবিতা (১৯৯৭); বাতাস যেমন পরিচিত (১৯৯৮); বৃন্তির সংবাদে আমি কেউ নই (১৯৯৮); কবিতা-সমগ্র (২০০২); কিছু ফল আমি নিভিয়ে দিয়েছি (২০০৩); ঘরে ফেরা সোজা নয় (২০০৬)।
প্রবন্ধ-গবেষণা –
কোন অলকার ফুল (১৯৮২)
শিশুসাহিত্য –
রাজার নতুন জামা (রূপান্তর, ১৯৭৯); রাজা বাদশার গল্প (১৯৮০); গ্রাম বাংলার গল্প (১৯৮০); ছোট্ট রাজপুত্র (অনুবাদ : ১৯৮২); গর্ব আমার অনেক কিছুর (১৯৯৬); ভিন দেশের মজার লোককাহিনী (১৯৯৯); তিন রসরাজের আড্ডা (১৯৯৯); কেশবতী রাজকন্যা (২০০০); গ্রাম বাংলা আরো গল্প (২০০০); তোমাদের প্রিয় চার শিল্পী (জীবনী, ২০০০); জন হেনরি (আমেরিকার লোককাহিনী, ২০০১); মিকালেঞ্জেনো (জীবনী, ২০০১); ছোটদের মজার গল্প (২০০১); সোনার খড়ম (২০০৬); মুচি-ভ’তের গল্প (২০০৬)। : সংগ্রামী নায়ক বঙ্গবন্ধু (১৯৮৩); রজনীকান্ত সেন (১৯৮৯); স্মৃতিসত্তায় যুগলবন্দী (২০০১)।
ইতিহাস –
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ (১৯৮৩)।
অনুবাদ –
বাড়ির কাছে আরশিনগর : বাংলাদেশের উর্দু কবিতা (২০০০); প্যালেস্টাইন ও প্রতিবেশী দেশের প্রতিবাদী কবিতা (২০০৫)।
সম্পাদনা –
যাদের রক্তে মুক্ত এদেশ (১৯৯১ যুগ্মভাবে); ছয়টি রূপকথা (১৯৭৯)।
তাঁর পাওয়া পুরষ্কারগুলি হল –
পুরস্কার
- আবুল হাসান স্মৃতি পুরস্কার (১৯৭৫);
- অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য পুরস্কার (১৯৮২);
- বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৮৭);
- শম্ভুগঞ্জ এনায়েতপুরী স্বর্ণপদক (১৯৯৯);
- ত্রিভুজ সাহিত্য পুরস্কার,
- বরিশাল বিভাগীয় স্বর্ণপদক,
- অশ্বনী কুমার পদক (২০০১);
- জীবনানন্দ দাশ পদক;
- অতীশ দীপঙ্কর স্বর্ণপদক;
- জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার (২০০৬)।
(তথ্যসূত্র : বাংলা উইকিপিডিয়া)
-------------------------- ছড়িয়ে দিন ইচ্ছেমত ------------------------------
অতটুকু চায়নি বালিকা!
অত শোভা, অত স্বাধীনতা!
চেয়েছিল আরো কিছু কম,
আয়নার দাঁড়ে দেহ মেলে দিয়ে
বসে থাকা সবটা দুপুর, চেয়েছিল
মা বকুক, বাবা তার বেদনা দেখুক!
অতটা চায়নি বালিকা!
অত হৈ রৈ লোক, অত ভিড়, অত সমাগম!
চেয়েছিল আরো কিছু কম!
একটি জলের খনি
তাকে দিক তৃষ্ণা এখনি, চেয়েছিল
একটি পুরুষ তাকে বলুক রমণী!
Love Story Short Film - Heart Touching Love Story - 2018
Tags:
Love,Bit,Heart Touching Love Story - 2018,Love Story Short Film,school of love,romantic musical shortfilm,feel the sweet love,sweet love,shortfilm,sweet story,romantic short film,love story,short movie love story,Hindi Short Film,Cute Romantic Love,cute love story,true love story,school life love,telefilm 2018,romance,romantic natok,love story short film english,short film animation,love story short,romantic short film,romantic short film english
=========== 🔔 Follow Me On 🔔 =============
👉 Website: ➜ http://love-bit.blogspot.com
👉 Youtube: ➜ http://youtube.com/lovebit
👉 Facebook Page: ➜ https://www.facebook.com/Lovebitpro
👉 Facebook Group:➜ https://www.facebook.com/groups/Lovebit.BE
👉 Instagram: ➜ https://www.instagram.com/lovebit.be
👉 Linkedin:➜ https://www.linkedin.com/in/Lovebit-BE
👉 Twitter:➜ https://www.twitter.com/Lovebit_BE
👉 Google+:➜ https://plus.google.com/u/0/115891410513092460720
Thanks!!!
কবিতা তো কৈশোরের স্মৃতি। সে তো ভেসে ওঠা ম্লান
আমার মায়ের মুখ; নিম ডালে বসে থাকা হলুদ পাখিটি
পাতার আগুন ঘিরে রাতজাগা ভাই-বোন
আব্বার ফিরে আসা, সাইকেলের ঘন্টাধ্বনি–রাবেয়া রাবেয়া–
আমার মায়ের নামে খুলে যাওয়া দক্ষিণের ভেজানো কপাট!
কবিতা তো ফিরে যাওয়া পার হয়ে হাঁটুজল নদী
কুয়াশায়-ঢাকা-পথ, ভোরের আজান কিম্বা নাড়ার দহন
পিঠার পেটের ভাগে ফুলে ওঠা তিলের সৌরভ
মাছের আঁশটে গন্ধ, উঠানে ছড়ানো জাল আর
বাঁশঝাড়ে ঘাসে ঢাকা দাদার কবর।
কবিতা তো ছেচল্লিশে বেড়ে ওঠা অসুখী কিশোর
ইস্কুল পালানো সভা, স্বাধীনতা, মিছিল, নিশান
চতুর্দিকে হতবাক দাঙ্গার আগুনে
নিঃস্ব হয়ে ফিরে আসা অগ্রজের কাতর বর্ণনা।
কবিতা চরের পাখি, কুড়ানো হাঁসের ডিম, গন্ধভরা ঘাস
ম্লান মুখ বউটির দড়ি ছেঁড়া হারানো বাছুর
গোপন চিঠির প্যাডে নীল খামে সাজানো অক্ষর
কবিতা তো মক্তবের মেয়ে চুলখোলা আয়েশা আক্তার।
সমস্ত আবর্ত থেকে ফিরে আসো, বলেছি কি ?
সে কথা বলিনি৷
বলেছিলাম, আমাদের কালপর্বে যে-ভাঙন
উৎস কোথায় এই চণ্ড-সামাজিকতার ?
আজকে যে-স্তরগুলি তৈরি হয়ে আছে
আমরাই কি নির্মাণ করিনি ঘূর্ণিপাক ?
শববাহকেরা এখন বৃত্তের ভিতরে ঘুরে বেড়াচ্ছে
শ্মশানযাত্রীরা নদীর ঠিকানা ভুলে
দণ্ডকারণ্যের দিকে ধাবমান
আর দেখো,
ভূমিকে নির্ভূম করে ভূস্বামীরা আগুন দিচ্ছে চুল্লীতে
সব প্রতিরোধ ভেঙে গেলে
কোনো সূচনা, প্রবাহ থাকবে না?
বলেছিলাম, বজ্র-ভরা দিনগুলো আবার ফিরে আসুক, স্রোতের
বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চাই।
All Category List
- All Videos (20)
- Percy Bysshe Shelley (1)
- Short Biography (15)
- অমিয় চক্রবর্তী (5)
- আনিসুল হক (1)
- আপনি যখন কবি (2)
- আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ (2)
- আবুল হাসান (12)
- আব্দুল হাকিম (1)
- আল মাহমুদ (5)
- আসাদ চৌধুরী (3)
- আহসান হাবীব (5)
- উৎপলকুমার বসু (1)
- কাজী নজরুল ইসলাম (16)
- কামিনী রায় (1)
- কায়কোবাদ (3)
- চিত্তরঞ্জন দাশ (6)
- জয় গোস্বামী (9)
- জসীম উদ্দিন (18)
- জহির রায়হান (1)
- জীবনানন্দ দাশ (18)
- তসলিমা নাসরিন (6)
- তারাপদ রায় (2)
- দাউদ হায়দার (4)
- নির্মলেন্দু গুণ (45)
- নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী (1)
- পুর্ণেন্দু পত্রী (15)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (1)
- ফকির লালন সাঁই (1)
- ফররুখ আহমেদ (1)
- বিষ্ণু দে (2)
- বুদ্ধদেব বসু (2)
- বেগম সুফিয়া কামাল (2)
- ময়ুখ চৌধুরী (2)
- মল্লিকা সেনগুপ্ত (2)
- মহাদেব সাহা (11)
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত (1)
- মাহবুব উল আলম চৌধুরী (1)
- মোফাজ্জল করিম (1)
- যতীন্দ্র মোহন বাগচী (1)
- রজনীকান্ত সেন (1)
- রফিক আজাদ (4)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (26)
- রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ (10)
- রেজাউদ্দিন স্টালিন (1)
- রোকনুজ্জামান খান (1)
- শক্তি চট্টোপাধ্যায় (10)
- শঙ্খ ঘোষ (7)
- শহীদ কাদরী (2)
- শামসুর রাহমান (11)
- শিমুল মুস্তাফা (1)
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত (5)
- সমর সেন (2)
- সমুদ্র গুপ্ত (5)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (8)
- সুকুমার বড়ুয়া (1)
- সুকুমার রায় (5)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (21)
- সুভাষ মুখোপাধ্যায় (3)
- সৈয়দ শামসুল হক (3)
- হুমায়ুন আজাদ (14)
- হেলাল হাফিজ (23)
Blog Archive
Translate Your Own Laguage
FB Page
Total Pageviews
Popular Posts
Tags
All Videos
(20)
Percy Bysshe Shelley
(1)
Short Biography
(15)
অমিয় চক্রবর্তী
(5)
আনিসুল হক
(1)
আপনি যখন কবি
(2)
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
(2)
আবুল হাসান
(12)
আব্দুল হাকিম
(1)
আল মাহমুদ
(5)
আসাদ চৌধুরী
(3)
আহসান হাবীব
(5)
উৎপলকুমার বসু
(1)
কাজী নজরুল ইসলাম
(16)
কামিনী রায়
(1)
কায়কোবাদ
(3)
চিত্তরঞ্জন দাশ
(6)
জয় গোস্বামী
(9)
জসীম উদ্দিন
(18)
জহির রায়হান
(1)
জীবনানন্দ দাশ
(18)
তসলিমা নাসরিন
(6)
তারাপদ রায়
(2)
দাউদ হায়দার
(4)
নির্মলেন্দু গুণ
(45)
নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
(1)
পুর্ণেন্দু পত্রী
(15)
প্রেমেন্দ্র মিত্র
(1)
ফকির লালন সাঁই
(1)
ফররুখ আহমেদ
(1)
বিষ্ণু দে
(2)
বুদ্ধদেব বসু
(2)
বেগম সুফিয়া কামাল
(2)
ময়ুখ চৌধুরী
(2)
মল্লিকা সেনগুপ্ত
(2)
মহাদেব সাহা
(11)
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
(1)
মাহবুব উল আলম চৌধুরী
(1)
মোফাজ্জল করিম
(1)
যতীন্দ্র মোহন বাগচী
(1)
রজনীকান্ত সেন
(1)
রফিক আজাদ
(4)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(26)
রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ
(10)
রেজাউদ্দিন স্টালিন
(1)
রোকনুজ্জামান খান
(1)
শক্তি চট্টোপাধ্যায়
(10)
শঙ্খ ঘোষ
(7)
শহীদ কাদরী
(2)
শামসুর রাহমান
(11)
শিমুল মুস্তাফা
(1)
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
(5)
সমর সেন
(2)
সমুদ্র গুপ্ত
(5)
সুকান্ত ভট্টাচার্য
(8)
সুকুমার বড়ুয়া
(1)
সুকুমার রায়
(5)
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
(21)
সুভাষ মুখোপাধ্যায়
(3)
সৈয়দ শামসুল হক
(3)
হুমায়ুন আজাদ
(14)
হেলাল হাফিজ
(23)





